২২শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২রা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • রাজশাহী
  • রাজশাহীতে সিন্ডিকেট করে গুদামে ধান বিক্রি,ক্ষতিগ্রস্ত প্রকৃত কৃষকরা




রাজশাহীতে সিন্ডিকেট করে গুদামে ধান বিক্রি,ক্ষতিগ্রস্ত প্রকৃত কৃষকরা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ২১ ২০১৯, ২২:১৫ | 866 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলার সরকারী গুমে চলতি মৌসুমে খাদ্য অফিসার ও গুদাম কর্মকর্তার যোগসাজশে কৃষকের ধান দিচ্ছেন সিন্ডিকেট চক্র। প্রতি টনে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কর্তৃপক্ষ এসব অনিয়ম করছেন বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের অভিযোগ,স্থানীয় ধান ব্যবসায়ী ও সরকারি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন মিলে উপজেলা গুলোতে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন একটি করে চক্র। এতে করে প্রকৃত কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও পকেট ভারী করছেন কর্মকর্তা ও সিন্ডিকেট চক্র। এমনকি একেকজন সিন্ডিকেট চক্র ৪০ থেকে ৫০জন কৃষকের চেক নিয়ে একক ভাবে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এদিকে,চলতি আমন ধান সংগ্রহের জন্য প্রকৃত কৃষক যাতে ধান দিতে পারেন সে জন্য প্রতিটি উপজেলায় লটারি করা হয়। লটারিতে নাম উঠা কৃষকের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সামান্য টাকার বিনিময়ে কৃষি কার্ড ক্রয় করে ধান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টনের টন ধান কিনেন তারা। এমনি ঘটনা তানোর পৌর সদরের ওসিএলএসডি তারেকুজ্জামানকে টন প্রতি মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে গোল্লাপাড়া গুদামে স্থানীয় সিন্ডিকেটের একাধিক চক্রের সদস্যরা ধান দিচ্ছেন। আর এসব সিন্ডিকেট চক্র লটারিতে নাম উঠা বিভিন্ন কৃষককে ভয়ভীতি দেখিয়ে কার্ড কিনে চাতাল ব্যবসায়ী কামারগাঁ ইউপি এলাকার ধানোরা গ্রামের হাজী সেলিমের কাছ থেকে ধান কিনে গুদামে দিচ্ছেন। এসব সিন্ডিকেট চক্র কৃষকের স্বাক্ষর ছাড়াই তাদেরকে টন প্রতি মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে ডাবলুকেসি করে দিচ্ছেন খাদ্য অফিসার আলাওল কবির ও গুদাম কর্মকর্তা তারেকুজ্জামান। খোজ নিয়ে জানা গেছে উপজেলার বিভিন্ন ইউপির চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তানোর পৌর সদরের সাবেক কাউন্সিলর রাসেল সরকার উত্তম একাই এক হাজারেরও বেশি কার্ড কিনে দেদারসে ধান দিচ্ছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে সোনালী ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায় উত্তম ছিলেন ব্যাংকের নিছে আর তাঁর সহপাঠী প্রতাপ ও শান্ত ব্যাংকের ভিতরেই ৪০ থেকে ৫০টি চেক নিয়ে অপেন কাজ করছেন। ব্যাংকে কৃষকের নামের কার্ডের ধানের এত চেক কিভাবে এরা পেলেন বা এরা কিভাবে টাকা তুলবেন জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার আসাদুল উত্তেজিত হয়ে বলেন কোন অনিয়ম হচ্ছেনা। নাম প্রকাশ না করে এক কৃষক জানান গুদামে ধান নিয়ে গেলেই মেশিনে দিয়ে বলে আদ্রতা বেশি আছে। এভাবে কয়েকদিন নিয়ে আসার পরে দিন দিতে পারি। অথচ উত্তমের টনের টন ধান দেদারসে নিচ্ছে। আরেক কৃষক জানান আমিসহ আমার ভাই ও বাবার নামে ধান দেবার পর ডাবলুকেসি করতে এসে স্বাক্ষর করার জন্য প্রত্যেককে নিয়ে আসতে হয়েছে অফিসে। অথচ জিয়া নামের এক সিন্ডিকেট চক্র একাই প্রায় ৩০টির মত ডাবলুকেসিতে স্বাক্ষর করলেন। ব্যাংকেও তাঁরা একাধিক কৃষকের চেকের টাকা তুলছেন। হাজী সেলিমের কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনি কিভাবে ধান বিক্রি করছেন তিনি জানান আমার কাছ থেকে ২১ থেকে ২২ টাকা কেজি দরে ধান কিনেছেন।গুদাম থেকে চাল নেবার জন্য যে ধান দেয়া হয় সেটা তিনি মজুত রেখে বাহির থেকে চাল দেন গুদামে। আর ওই ধান তিনি বিক্রি করছেন বলে একাধিক সুত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এনিয়ে গুদাম কর্মকর্তা তারেকুজ্জামানের সাথে শুক্রবার সকালের দিকে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এসব ব্যবসা কিভাবে হয় সবার জানা, এসব নিয়ে লেখালেখি না করে সমন্বয় করে নেয়া ভালো।এর পরেই ধান দেয়া সিন্ডিকেট সদস্য উত্তম জানান আমার ব্যাপারে অভিযোগ করা ঠিক হয়নি আমি মাত্র ৯টন ধান দিয়েছে। উপজেলা খাদ্য অফিসার আলাওল কবিরের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমার বাচ্চার অসুখ আমি হাসপাতালে আছি পরে কথা বলা হবে। এনিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন বানুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বিষয়গুলো নিয়ে আমি খোজ নিচ্ছে এমন ঘটনা ঘটে থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া,সাবেক সংসদ সদস্য, প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET