জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ এই স্থানটি সব সময়ই পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান। এমন একটি জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক। পশু-পাখির অনেকটা কাছাকাছি আসার অনুভূতি পাবেন বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে। গাড়ির ভেতর বসে দেখতে পাবেন নানান রকম পশু-পাখি। ঢাকার অদূরে গাজীপুরের শ্রীপুর ইন্দ্রপুর ও গাজীপুর সদরের পিরুজালী এলাকার শাল-গজারি আচ্ছাদিত তিন হাজার ছয়শ নব্বই একর জমি নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক। সাফারি পার্কটি দক্ষিণ এশীয় মডেল, বিশেষ করে থাইল্যান্ডের সাফারি ওয়ার্ল্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার বালি সাফারি পার্কের কতিপয় ধারণাও সন্নিবেশিত হয়েছে।

“কল্পনা করে দেখুন তো, আপনি খাঁচায় বন্দী আর চারপাশ দিয়ে ভয়ংকর সব জীবজন্তু ঘোরাফেরা করছে। না, ডিসকভারি চ্যানেলের কোন প্রামাণ্যচিত্র নয়, দেশে থেকেই আপনি নিতে পারেন এই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার স্বাদ।”

সাফারি পার্কের মূল আকর্ষণ হচ্ছে কোর সাফারি। আপনি খুব কাছ থেকে দেখতে পাবেন বাঘ, সিংহ, ভাল্লুক, হরিণ, জেব্রা, জিরাফসহ অনেক প্রাণী। বিশেষ একটি মিনি বাসে করে আপনাকে নিয়ে যাওয়া হবে তাদের কাছে। আপনি থাকবেন বাসে ‘বন্দি’ আর অপার বিস্ময়ে দেখতে থাকবেন মুক্ত প্রাণীগুলোকে।

বিশাল অরণ্যে আপনি বের হয়েছেন প্রকৃতির সান্নিধ্য লাভের আশায়, হঠাৎ ক্ষুধার্থ কয়েকটি হিংস্র বাঘ বা সিংহ আপনার ওপর আছড়ে পড়ল শিকারের আশায়, কিন্তু না, পারল না কাচের দেয়াল থাকার কারণে ২ ইঞ্চির জন্য আপনাকে গ্রাস করতে পারল না। আপনি ভয়ে তো অজ্ঞান, এমন সব রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা আপনাকে পাইয়ে দেয়ার জন্যই থাইল্যান্ডের সাফারি ওয়ার্ল্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের গাজীপুরে নির্মিত হয়েছে এশিয়ার সর্ববৃহত্তম বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তবিবুর রহমান নয়া আলো ডটকমকে জানান, আগের তুলনায় এখন দর্শনার্থী অনেক বেশী। দর্শনার্থী পশু-পাখির অনেক কাছাকাছি যাওয়ার অনুভূতি পাই বলেই পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসেন। থাইল্যান্ডের সাফারি ওয়ার্ল্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্মিত হয়েছে এশিয়ার সর্ববৃহত্তম বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক।









