অনলাইন ডেস্কঃ- আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। গতকাল শনিবার রাতেই সাকিব বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছি, নির্বাচন করব না।’
এর আগে সাকিব নিজেই বলেছিলেন, তিনি মাগুরা-১ আসনের জন্য তার মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। আজ রোববার সকালে তার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করারও কথা ছিল। পরে অবশ্য নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন তিনি ।
আগে নির্বাচন করার কথা জানিয়ে এখন কেন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেন এমন প্রশ্নের জবাবে কোনো মন্তব্য করেননি সাকিব। তবে তিনি কেন শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন এ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
সাকিবের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘সাকিবের খেলা ছেড়ে এখনই রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্তের পক্ষে সায় দেননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাকিবের দেশকে আরও অনেক কিছু দেওয়ার আছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তাই সাকিবের খেলা ছেড়ে নির্বাচনে আসায় সায় দেননি তিনি।’
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘শেখ হাসিনা সাকিবকে খেলা চালিয়ে যেতে বলেছেন।’
একটি সূত্র জানায়, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহের কথা জানাতে এবং প্রধানমন্ত্রীর মত জানতে শনিবার রাতে সাকিব আল হাসান গণভবনে যান। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেছেন, ‘সামনে বিশ্বকাপ আছে। তুমি খেলা চালিয়ে যাও। ’ তবে এ বিষয়ে সাকিবের কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
এর আগে শনিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া জানিয়েছিলেন, আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করার লক্ষ্যে আগামীকাল মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন সাকিব আল হাসান। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মনোনয়ন ফরম কিনতে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে আসবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
সাকিব আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ফোন করে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান বিপ্লব বড়ুয়া।
সাকিব আল হাসানের রাজনীতিতে আসার গুঞ্জন বহুদিনের। কিছুদিন আগে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছিলেন- সাকিব ও মাশরাফি আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করবেন। তবে শেষ পর্যন্ত সাকিব নিজের সিদ্ধান্ত বদলালেও জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা মনোনয়ন সংগ্রহ করতে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গেছেন।









