নজরুল ইসলাম চৌধুরীঃ
১২ আগস্ট পবিত্র ঈদ-উল-আজহা। মাত্র তিনদিন পরই মহান রবের সন্তুষ্টি লাভে পছন্দের পশু কোরবানি দিবেন মুসলিম উম্মাহ। চাঁদ দেখার পরই শুরু হলো পশুর হাট। ছাগলনাইয়া উপজেলার ১ টি পৌর এলাকা ও ৫ টি ইউনিয়নে এবার কোরবানির পশুর হাট বসেছে মোট ১৭ টি। গত বছরের চেয়ে কিছুটা বেশি মুল্যে এবার গরু, ছাগল, মহিষ ক্রয় করতে হবে এমন ধারনা সকলেরই ছিলো। প্রথম বাজার থেকে হাটে পর্যাপ্ত পরিমাণ কোরবানির পশু দেখা গেলেও বিক্রি হওয়ার দৃশ্য দৃশ্যমান হয়নি কারো। ক্রেতারা জানান, গত বছর যে গরু ৫০ হাজার দিয়ে কিনেছি তেমন গরু এবছর দাম চাচ্ছে ১ লাখ। অন্যদিকে গত বছরের চেয়ে প্রতিটি মহিষে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা বেশি দাম চাচ্ছেন বিক্রেতা। এমন চওড়া দাম শুনেই হাট থেকে পালাচ্ছেন ক্রেতারা। গতকাল বুধবার (৭ আগস্ট) ছিলো ঐতিহ্যবাহী ছাগলনাইয়া বাজার। সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হাজারো গরু, ছাগল আর মহিষের বাজার বসে। শুরুতেই বৃষ্টির কারনে খেলার মাঠ হয়েগেলো বীজতলা। কাদার কারনে মানুষ মাঠে হাটতেই পারছিলোনা। ফলে অনেকটা ক্রেতা শূন্য পশুর হাট। শেষদিকে গায়ে কাদা মেখেই পশু কিনতে মাঠে নেমেছেন ক্রেতাসাধারণ। তবে গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ দাম শুনে হাট থেকে অনেক ক্রেতাই বাড়ী মুখি হলেন বলে জানায় বিক্রেতারা। তবে ছাগলের মুল্য গত বছরের মতই রয়েছে বলে জানান কয়েকজন ক্রেতারা। মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে বিক্রেতারা জানায়, কিছুই করার নেই চওড়া মূল্য আমরা কিনেছি তাই বিক্রির ক্ষেত্রেও দাম বেশি। উপজেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী ১৭ টি পশুর হাটের একই চিত্র। দাম শুনেই পালাচ্ছেন ক্রেতা।
Please follow and like us:









